কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬ এ ১১:১০ AM

প্রশাসক‘র জীবন বৃত্তান্ত

কন্টেন্ট: পাতা

ক্লাস কমিটির সভাপতি থেকে রাসিকের প্রশাসক, দীর্ঘ ৩০ বছরের লড়াইয়ের ফল। স্থানীয় সরকার বিভাগ, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে (রাসিক) মাহফুজুর রহমান রিটন কে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেন। তাঁর পরিশ্রম ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মাত্র ৪৮ বছর বয়সেই প্রশাসকের দায়িত্ব পান তিনি। ১৯৯৫-৯৬ সেশনে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে মানবিক বিভাগের ক্লাশ কমিটির সভাপতি হিসেবে মাহফুজুর রহমান রিটনের রাজনৈতিক অধ্যায় শুরু পরবর্তীতে সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক এবং ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। রাজশাহী সরকারী সিটি কলেজ ছাত্র সংসাদের জি.এস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০২-২০১২ সাল পর্যন্ত রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৬ সাল পর্যন্ত মহানগর ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।২০১৬ সালে মাহফুজুর রহমান রিটন রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৭ সালে তিনি মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এরপর তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়কের দায়িত্ব পান। যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিভাগীয় সহ সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করেন।২০২৫ সালে মহানগর যুবদলের আহবায়ক থাকাকালেই রিটন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। রিটন ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানাধীন রাজারহাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর হেতমখাঁয় “নাহার হাইটস” (নেসকো হেড অফিসের পশ্চিমপার্শ্বে) বসবাস করেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এলএলবি অনার্স। দীর্ঘ আড়াই যুগেরও বেশি সময় তিনি রাজশাহীতে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আন্দোলন সংগ্রামে তিনি আহত হয়েছেন এবং বারবার কারাবরণ করেছেন। সর্বকনিষ্ঠ রাজনীতিবীদ হিসেবে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান রিটন কে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক পদে নিয়োগ দেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন